অয়ন্ত ইমরুল

দাদার হুঁকার মিড়ে

দূরে দূর লাগে খুব।ঘ্রাণে ঘ্রাণ লাগে।
চোখ পথ পায়।

দাদার হুঁকার মিড়ে,হাঁসকল দুলে
নানান মুদ্রায়--

শালিধান দেখো ডাকে।কত কি যে ভেবে
রাখে নলারোদ!

না করা নিমিষ ফুঁড়ে বেশ কথা ফুটে।
কোথাও নীরোদ--

গানের গালে মাখিয়ে দেয় ঘিমঙ্গল
এইভাবে বুঝি--

বিঁধে ভাতধ্বনি!বাড়ি বের করা সন্ধে
ঝিঁঝিঁ জুড়ে রাজি।

ক্রমে ওঠে,পুঁথিঘরে-পিঁড়ির হুল্লোড়;
সুয়োপাখি ধরা,

পিপুলের বন কাঁপে,কাঁপে ভানা বউ-
পুরির ফুল্লরা।

তুমিও তো কাঁপো বালা--হিম আর হেমে
কামিজের বুলি।

আমারে জাগিয়ে রেখে অলীক দুনিয়া
খায় চন্দ্রপুলি।


ছুটি বারে

ভাবনা ফুঁড়া ডল
উজালা থিমপার্ক
ছুটি করা বৃষ্টির ঝুমঝুমি 

যে ভাবেই নাচাও তিতলির রঙ
অনুরাগে ভেজা তোমার দোহারা
ভেজা অই রশ্মি বোনা হাতের রেখা

তিরির ঢেউয়ে যাওয়া 
পেন্ডুলামের দোল এখন বরফ ও বরফি

দৃশ্যে কিছুটা কাঁপন রেখে
দাঁড় বাওয়া 
দাঁড়ের পাখিকে শেখানো উড়াল
বুলানো হল
চলছে দীন আর ক্লান্তির লে অফ 

সখি টেলিস্কোপে যাও
সখি শরসূনায় যাও

আমার সলতে নিভে যায় 
হাওয়ার কাপলিংয়ে
আমার কাহারবা উলটে যায় বাতা সেলে

খুব করে 
গান গায় ছায়ার স্ত্রী লিঙ্গ
Create your website at WordPress.com
শুরু করুন
%d bloggers like this:
search previous next tag category expand menu location phone mail time cart zoom edit close